Saturday, December 2, 2017
Saturday, October 7, 2017
কচ্ছপ ও খরগোশের গল্পে তোমরা কার পক্ষে ?
কচ্ছপ ও খরগোশের গল্পে তোমরা কার পক্ষে ? অবশ্যই কচ্ছপের ! কারণ কচ্ছপ প্রতিযোগিতায় জয়ী হয়েছিল। মনে করো এখনো প্রতিযোগিতা হয়নি। এখন কার পক্ষে যাবে তোমরা ?
অবশ্যই খরগোশের ! আমিও তোমাদের মত খরগোশের পক্ষেই কারণ আমরা খরগোশের মত খুব সহজে জয়ী হতে চাই বা আমরা জানি খরগোশই নির্ধারিত জায়গায় চলে যাবে । অথচ যুগে যুগে কচ্ছপরাই সফল হয়।
এখন বলি কচ্ছপ কারা ..
যারা পরিশ্রমী ,রাতারাতি বড় হতে চায় না ,নিজের উপর অপার বিশ্বাস আর হেরে যাওয়ার ভয় যাদের একদমই নেই।
মনে রাখা ভালো ......
কোনো কিছুই খুব তাড়াতাড়ি করতে গেলে বা হয়ে গেলে এর ফলাফল স্থায়ী হয় না। স্থায়ী ও প্রভাব বিস্তারকারীরা দিনের পর দিন,রাতের পর রাত পার করে তাদের গোল-এ যায়।
কোনো শর্টকাট নেই সফলতার ক্ষেত্রে। নেই কোনো সিক্রেট। সফলতার সূত্র সেই আগেরটাই। বহু পুরোনো।
সময় দেয়া + লেগে থাকা = ফলাফল। ...
অবশ্যই খরগোশের ! আমিও তোমাদের মত খরগোশের পক্ষেই কারণ আমরা খরগোশের মত খুব সহজে জয়ী হতে চাই বা আমরা জানি খরগোশই নির্ধারিত জায়গায় চলে যাবে । অথচ যুগে যুগে কচ্ছপরাই সফল হয়।
এখন বলি কচ্ছপ কারা ..
যারা পরিশ্রমী ,রাতারাতি বড় হতে চায় না ,নিজের উপর অপার বিশ্বাস আর হেরে যাওয়ার ভয় যাদের একদমই নেই।
মনে রাখা ভালো ......
কোনো কিছুই খুব তাড়াতাড়ি করতে গেলে বা হয়ে গেলে এর ফলাফল স্থায়ী হয় না। স্থায়ী ও প্রভাব বিস্তারকারীরা দিনের পর দিন,রাতের পর রাত পার করে তাদের গোল-এ যায়।
কোনো শর্টকাট নেই সফলতার ক্ষেত্রে। নেই কোনো সিক্রেট। সফলতার সূত্র সেই আগেরটাই। বহু পুরোনো।
সময় দেয়া + লেগে থাকা = ফলাফল। ...
Wednesday, September 20, 2017
Sunday, September 17, 2017
প্যাশন ( গভীর প্রণয় ,আবেগ ,গভীর টান ) :
প্যাশন ( গভীর প্রণয় ,আবেগ ,গভীর টান ) :
দুইটা ছেলে মেয়ের সম্পর্কের মধ্যে প্যাশন কম থাকে অথবা প্যাশন না থাকা অবস্থায় প্রেম চলে তখন সেই প্রণয় বেশি দিন ঠিকে না। প্রকৃতি প্যাশন ছাড়া কাজ অথবা ভালোবাসাকে তছনছ করে দেয়।
যে কাজে তুমি ভালোবাসা খুঁজে পাবে না সেটা করো না কারণটা ওই প্রকৃতি। সফল হতে হলে গভীর প্রেম থাকতে হবে। সেটা খুকীর সাথে প্রেম হোক আর যত নিম্নমানের কাজ হোক। আর হ্যা , কাজের উঁচু বা নিচু নেই।
বিশেষ কথা : প্রেমে ব্যার্থ হলে যেমন স্ক্রিনশট পাবলিক করা যাবে না ঠিক তেমনি কাজে ব্যার্থ হলে ভেঙে পড়লে হবে না।উঠে দাড়াও এবং আরেকটা খুঁজো।প্রেমিকা ও কাজ। প্রেমিকা বা কাজ ততক্ষন বেছে নিও না যতক্ষণ প্রেম না খুঁজে পাও।
দুইটা ছেলে মেয়ের সম্পর্কের মধ্যে প্যাশন কম থাকে অথবা প্যাশন না থাকা অবস্থায় প্রেম চলে তখন সেই প্রণয় বেশি দিন ঠিকে না। প্রকৃতি প্যাশন ছাড়া কাজ অথবা ভালোবাসাকে তছনছ করে দেয়।
যে কাজে তুমি ভালোবাসা খুঁজে পাবে না সেটা করো না কারণটা ওই প্রকৃতি। সফল হতে হলে গভীর প্রেম থাকতে হবে। সেটা খুকীর সাথে প্রেম হোক আর যত নিম্নমানের কাজ হোক। আর হ্যা , কাজের উঁচু বা নিচু নেই।
বিশেষ কথা : প্রেমে ব্যার্থ হলে যেমন স্ক্রিনশট পাবলিক করা যাবে না ঠিক তেমনি কাজে ব্যার্থ হলে ভেঙে পড়লে হবে না।উঠে দাড়াও এবং আরেকটা খুঁজো।প্রেমিকা ও কাজ। প্রেমিকা বা কাজ ততক্ষন বেছে নিও না যতক্ষণ প্রেম না খুঁজে পাও।
Thursday, August 24, 2017
পিডিএফ বইয়ের এর সুবিধাগুলো কী :
মোবাইল ফোনে পিডিএফ ডাউনলোড করতে অনেকের সমস্যা হয়। থেকে পিডিএফ ডাউনলোডার ডাউনলোড করে পরে যেকোন পিডিএফ বই ডাউনলোড করতে পারবেন। তবুও বই পড়েন।
পিডিএফ বইয়ের এর সুবিধাগুলো কী :
আপনি ওয়াশরুমে বসে আরাম করে পড়তে পারছেন।
বাস/ট্রেন অথবা লঞ্চ এ বসে পড়তে পারছেন।
ডাটা অফ থাকলেও পড়তে পারছেন।
একসাথে অনেকগুলা বই পকেটে নিয়ে ঘুরতে পারছেন।
মানুষ দেখলে কী বলবে এই ভয় থেকে রক্ষা পাচ্ছেন।
পিডিএফ বইয়ের এর সুবিধাগুলো কী :
আপনি ওয়াশরুমে বসে আরাম করে পড়তে পারছেন।
বাস/ট্রেন অথবা লঞ্চ এ বসে পড়তে পারছেন।
ডাটা অফ থাকলেও পড়তে পারছেন।
একসাথে অনেকগুলা বই পকেটে নিয়ে ঘুরতে পারছেন।
মানুষ দেখলে কী বলবে এই ভয় থেকে রক্ষা পাচ্ছেন।
Saturday, August 12, 2017
মোটিভেশন কী একটা ব্যবসা ?
মোটিভেশন কী একটা ব্যবসা ?
উত্তর : হা , এখন কথা হচ্ছে ব্যবসা কী ?
আপনি যেখানে কিছু না কিছু ইনভেস্ট করবেন এবং সেই খাত থেকে যখন প্রফিট আসবে তখন এটা ব্যবসা বা ব্যাবসার মত।
প্রথমে বলে রাখি , একজন মানুষ এমনি এমনি মোটিভেশনাল স্পিকার হয় না , সে কোনো না কোনো ভাবে নিজের অবস্থানের পরিবর্তন করছে তারপর সে মনে করছে সে চাইলে মানুষের জীবনের পরিবর্তন ঘটাতে পারবে। পরিবর্তনটা অর্থনৈতিক বা আত্মিক হতে পারে। শুধু টাকাওয়ালা হলে যে কেউ সফল সেটা কোনো মোটিভেশনাল স্পিকার বলে না এবং বলবে ও না।
বাংলাদেশে এই ফিল্ডটা একদম নতুন। বাংলাদেশে নতুন কিচ্ছু করা অনেক কঠিন এবং সেটা শুধু মানুষের জন্য। কেউ নতুন কিছু করুক এটা বেশির ভাগ মানুষ পছন্দ করেনা। তবে গত দু এক বছর ধরে বাংলাদেশেও এটা শুরু হয়েছে। নিক বুজিসিক , টনি রবিন্স ,বার্নাড,বব প্রক্টর ,আবদুল্লাহ আবু সায়েদ স্যার , জাগি বাসুদেব সহ আরো কত কত স্পিকাররা আমাদের জীবনকে সুন্দর করার কথা বলেন তা কেমন করে আমরা অস্বীকার করবো। এরাই কি শেষ ? আর আসবে না ? আরো আসলে সমস্যা ? নতুনরা আসবে না ? নতুনরা তো একদিন পুরাতন হবে। মানুষকে উৎসাহ দেয়ার কেউ না আসুক সেটা আমার চাই ?
এখন কথা হচ্ছে মোটিভেশনাল বক্তারা কী ইনভেস্ট করেন ? তারা তাদের সময় ইনভেস্ট করে। তারা কেউ-ই বেকার না এটা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিছু না কিছু তারা করছে। কেউ নিজের ব্যবসা বা জব বা কিছু একটা।
বিশেষ কথা : আমি খুব আন্তরিকভাবে বলতে চাচ্ছি যে আমি ও আমার লেখনী যে বা যারা পছন্দ করেন না তারা আপনারা নিজ দায়িত্বে আমাকে আনফ্রেন্ড করে দিবেন। আমি নিজেও কয়দিন পর পর অনেককে আনফ্রেন্ড করে দেই যখন দেখি বা বুঝি সে বা তিনি বা তারা কোনো না কোনোভাবে আমার কারণে বিরক্ত।
তবে....
সঙ্গে থাকুন আর এটা মনে প্রাণে চাই।
Monday, August 7, 2017
পাবলিক স্পিকিং ..
পাবলিক স্পিকিং : কিভাবে মানুষের সামনে কথা বলার ভয় দূর করা যায় ?
মানুষের সামনে কথা বলার নামই হচ্ছে পাবলিক স্পিকিং। এই কথা বলতে আমার আপনার যা সমস্যা। মানুষের সামনে কথা বলতে গেলে যা মনে হয় সেটা হচ্ছে মানুষ কী ভাবছে আমাকে নিয়ে। এই ভয় চলে যায় তবে কথা বলতে হবে। কথা বলার ভয় কথা বলে তাড়াতে হবে।
সত্য গল্প শুনুন :
সত্য গল্প শুনুন :
নবম-দশম ক্লাসের ছাত্রছাত্রীরা একটা স্কুলের সর্বোচ্চ লেভেলের ছাত্রছাত্রী। এরা স্কুলের সভা-সমিতি অথবা ২১শে ফেব্রুয়ারী ,২৬শে মার্চ এবং ১৬ই ডিসেম্বরের অনুষ্টানগুলোতে বক্তব্য দেয়। এমনকি ক্লাস সিক্স,সেভেন এ যারা পড়ে তারাও স্পিচ দেয়। আমি তো পারিনা। আমি ভাবতে লাগলাম কেন আমি পারিনা বক্তব্য দিতে? আমার থেকে ছোট ক্লাসের এরাও তো শত শত ছাত্রছাত্রীর সামনে কথা বলছে তবে আমি নই কেন। স্কুল জীবনে কথা বলতে পারিনাই। ভয় আমার জয় করা হয়নি।
এসএসসি তে এ প্লাস পাওয়ার পর অনেক জায়গায় যেতে হলো। সংবর্ধনা দিলো। এক জায়গায় আমার নাম দিয়ে বসছে যে আমি স্টেজে গিয়ে কিছু একটা বলবো। আসমান ভেঙে মাথায় পড়লো অবস্থা। আমি ? কেমনে ? আমি ব্যাক্তি মানুষ নারভাস হতে পারি তাই বলে এ প্লাসকে তো আর ছোট করতে পারিনা। এ প্লাস আমাকে অনেক সাহায্য করলো স্টেজে গিয়ে কথা বলতে। আমি ঘামে ডুবে যাচ্ছি,কথা মুখে আসে না ,হাতপা কাঁপে – এইগুলার মধ্যে দিয়ে জীবনের প্রথম পাবলিক স্পিচ দিলাম।
কলেজে উঠে ,ওরিয়েন্টেশন এ স্পিচ দিবে এই রকম একটা ছেলে ও একটা মেয়ে দরকার। কোনো কিছু না ভেবেই বলে উঠলাম আমি স্পিচ দেব। আমি আর গীতাঞ্জলি নামের একটা মেয়ে স্পিচ দিলাম প্রায় এক হাজার মানুষের সামনে।
শাহখাকী মাদ্রাসা (একটা স্থানীয় মাদ্রাসা ) শিক্ষক খুজতেছিল ইংলিংশ এবং গণিতের জন্য। আমাকে মাদ্রাসা কমিটির একজন এসে বললেন শিক্ষকতা করার জন্য। যে ছেলেটা মাত্র ছয়মাস পর আমেরিকা চলে যাবে সে টাকার চিন্তা করে এই জবটা নিবে ? আমি শিক্ষকতা করলাম শুধুমাত্র নতুন কিছু আগামীর সাথে পরিচিত হতে আর নিজের পাবলিক স্পিকিং স্কিলটা আরো সুন্দর করার জন্য। আনন্দের বিষয় এই আগামীরা আমাকে টেক্সট করে বলে আমি নাকি খুব ভালো পড়াতাম। আমি লজ্জা পাই এইগুলা শুনে। ...সরাসরি প্রশংসা আমি নিতে পারি না।
ওয়াসিংটন এ ,সিয়াটেল কলেজে নিজের দেশের হিস্ট্রি নিয়ে কথা বলতে হবে। নিজের দেশের হিস্ট্রি কে না চায় মানুষকে জানাতে ! ১৫ মিনিট কথা বলতে হলো।
নিউ ইয়র্কে এসে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন এ কাজ। তাও আবার কাস্টমার সার্ভিস। কথা বলার কাজ। এক বড় ভাই কাজটা পাইয়ে দিলেন ,চির কৃতজ্ঞ উনার কাছে। অবিরত কথা বলতে হয়।
নিউ ইয়র্কে এসে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন এ কাজ। তাও আবার কাস্টমার সার্ভিস। কথা বলার কাজ। এক বড় ভাই কাজটা পাইয়ে দিলেন ,চির কৃতজ্ঞ উনার কাছে। অবিরত কথা বলতে হয়।
ASA কলেজে এখন পর্যন্ত যে গ্রূপ এসাইনমেন্ট দিতো সেগুলার মধ্যে আমি কথা বলতাম এবং বলার সময় আমি পাবলিক স্পিচ দিচ্ছি মনে করে কথা বলতাম । আর সিঙ্গেল এসাইনমেন্ট হলে তো আর কথাই নাই।
তাহলে কী বুঝা গেলো ? পাবলিকলি কথা বলার জন্য আপনাকে শুধু কথা বলে যেতে হবে। ভেরি সিম্পল।
Subscribe to:
Posts (Atom)