Sunday, January 1, 2017
Friday, December 23, 2016
হিসেব...........
বছর শেষে অনেক হিসেবে মেলানোর আছে। ১২ মাসের এই ৩৬৫ দিনকে যদি বাজেট হিসেবে ধরি তবে এই বাজেটের কতটুকু কোন খাতে আমরা ব্যবহার করেছি সেটার একটা হিসেব। একজন মানুষের আত্মিক,ব্যাবহারিক,অর্থনৈতিক ,পারিবারিক ,জ্ঞানগতসহ অনেক খাত আছে।আপনারা যারা সময়ের সঠিক ব্যবহার করেছেন তারা বছর শেষে অনেকটা সফল আর আমরা যারা করিনি তাদেরও সামনে সময় আছে। আমরা ভুল করি আর ভুল থেকে শিখি। সময় পৃথিবীর শ্রেষ্টতম সম্পদ।সময়ের সঠিক ব্যবহারের ফলে পৃথিবীর সব মনীষীদের জন্ম হয়েছে আবার সময়ের অপব্যাবহার বা অপচয় মানুষকে দিয়েছে গ্লানি আর অসহায়ত্ব। "সময় গেলে সাধন হবে না " ,লালনের কথায়। আমি তো বছর শেষের কথা বলছি ,জগৎবিখ্যাতরা তো প্রতিদিনকার বাজেট করে।আহা ! এদের মত যদি হতাম। এরা ও আমাদের মতো সাধারণ ছিলেন। সময় তাদেরকে আজকে বিশাল করে দিয়েছে। না ,আসলে সময়কে তারা হাতিয়ার হিসেবে ব্যাবহার করেছে। যাইহোক ,আমরা যারা সময়কে ব্যবহার করিনি তারা এই পুরোনো আর নতুন সন্ধিক্ষণে পণ করলাম দিন বদলে ফেলবো সময়ে সময়ে।
Monday, December 5, 2016
কংগ্রেটস আপনি মানুষ
আপনার সম্পদ যা যা আছে :
আপনার মাকে আপনি অনেক ভালোবাসেন ?
হ্যা
আপনি দুনিয়ার তাবৎ মাদেরকে সম্মান করেন
অতএব আপনি সম্মান করতে জানেন (সম্পদ ১) ।
আপনি আজকে রাস্তার মোড়ের পড়ে থাকা মানুষটাকে ১ টাকা দিছেন শুধু মাত্র খারাপ লাগছে বিধায়?
হ্যা
আপনার খারাপ লাগা নামক সম্পদ ও আছে (সম্পদ ২) ।
কালকে যে মিথ্যা কথা বলছেন তার জন্য ঘুম লাগছে না আজকে ?
হ্যা
আপনি মিথ্যা কথা বলতে পারবেন না ,আপনি সত্য কথা বলেন,আপনি সত্যবাদী (সম্পদ ৩) ।
আপনার মেয়েবন্ধ চিট করছে অথচ তার প্রাইভেট পিক গুগল করেন নি?
হ্যা
আপনি অন্যের সম্মান রক্ষা করতে বদ্ধ পরিকর (সম্পদ ৪ ) ।
আপনি বিশ্ববিদ্যায়লয় থেকে মাস্টার্স করছেন অথচ ডিগ্রি পাস শিক্ষককের সামনে মাথা নিচু করে কথা বলেন?
হ্যা
আপনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং অতীত ভূলেন না ,আপনি কৃতজ্ঞ (সম্পদ ৫) ।
এই সব গুলো সম্পদ আছে এর মানে আপনার মনুষত্ব নামক আরেকটা সম্পদে ধনী।
কংগ্রেটস আপনি মানুষ। ...........
আপনার মাকে আপনি অনেক ভালোবাসেন ?
হ্যা
আপনি দুনিয়ার তাবৎ মাদেরকে সম্মান করেন
অতএব আপনি সম্মান করতে জানেন (সম্পদ ১) ।
আপনি আজকে রাস্তার মোড়ের পড়ে থাকা মানুষটাকে ১ টাকা দিছেন শুধু মাত্র খারাপ লাগছে বিধায়?
হ্যা
আপনার খারাপ লাগা নামক সম্পদ ও আছে (সম্পদ ২) ।
কালকে যে মিথ্যা কথা বলছেন তার জন্য ঘুম লাগছে না আজকে ?
হ্যা
আপনি মিথ্যা কথা বলতে পারবেন না ,আপনি সত্য কথা বলেন,আপনি সত্যবাদী (সম্পদ ৩) ।
আপনার মেয়েবন্ধ চিট করছে অথচ তার প্রাইভেট পিক গুগল করেন নি?
হ্যা
আপনি অন্যের সম্মান রক্ষা করতে বদ্ধ পরিকর (সম্পদ ৪ ) ।
আপনি বিশ্ববিদ্যায়লয় থেকে মাস্টার্স করছেন অথচ ডিগ্রি পাস শিক্ষককের সামনে মাথা নিচু করে কথা বলেন?
হ্যা
আপনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং অতীত ভূলেন না ,আপনি কৃতজ্ঞ (সম্পদ ৫) ।
এই সব গুলো সম্পদ আছে এর মানে আপনার মনুষত্ব নামক আরেকটা সম্পদে ধনী।
কংগ্রেটস আপনি মানুষ। ...........
Saturday, December 3, 2016
পাবলিক স্পিকিং :
মানুষের সামনে কথা বলার নামই হচ্ছে পাবলিক স্পিকিং। এই কথা বলতে আমার আপনার যা সমস্যা। মানুষের সামনে কথা বলতে গেলে যা মনে হয় সেটা হচ্ছে মানুষ কী ভাবছে আমাকে নিয়ে। এই ভয় চলে যায় তবে কথা বলতে হবে। কথা বলার ভয় কথা বলে তাড়াতে হবে।
নবম-দশম ক্লাসের ছাত্রছাত্রীরা একটা স্কুলের সর্বোচ্চ লেভেলের ছাত্রছাত্রী। এরা স্কুলের সভা-সমিতি অথবা ২১শে ফেব্রুয়ারী ,২৬শে মার্চ এবং ১৬ই ডিসেম্বরের অনুষ্টানগুলোতে বক্তব্য দেয়। এমনকি ক্লাস সিক্স,সেভেন এ যারা পড়ে তারাও স্পিচ দেয়। আমি তো পারিনা। আমি ভাবতে লাগলাম কেন আমি পারিনা বক্তব্য দিতে? আমার থেকে ছোট ক্লাসের এরাও তো শত শত ছাত্রছাত্রীর সামনে কথা বলছে তবে আমি নই কেন। স্কুল জীবনে কথা বলতে পারিনাই। ভয় আমার জয় করা হয়নি।
এসএসসি তে এ প্লাস পাওয়ার পর অনেক জায়গায় যেতে হলো। সংবর্ধনা দিলো। এক জায়গায় আমার নাম দিয়ে বসছে যে আমি স্টেজে গিয়ে কিছু একটা বলবো। আসমান ভেঙে মাথায় পড়লো অবস্থা। আমি ? কেমনে ? আমি ব্যাক্তি মানুষ নারভাস হতে পারি তাই বলে এ প্লাসকে তো আর ছোট করতে পারিনা। এ প্লাস আমাকে অনেক সাহায্য করলো স্টেজে গিয়ে কথা বলতে। আমি ঘামে ডুবে যাচ্ছি,কথা মুখে আসে না ,হাতপা কাঁপে - এইগুলার মধ্যে দিয়ে জীবনের প্রথম পাবলিক স্পিচ দিলাম।
কলেজে উঠে ,ওরিয়েন্টেশন এ স্পিচ দিবে এই রকম একটা ছেলে ও একটা মেয়ে দরকার। কোনো কিছু না ভেবেই বলে উঠলাম আমি স্পিচ দেব। আমি আর গীতাঞ্জলি নামের একটা মেয়ে স্পিচ দিলাম প্রায় এক হাজার মানুষের সামনে।
শাহখাকী মাদ্রাসা (জুড়ীর একটা স্থানীয় মাদ্রাসা ) শিক্ষকতা করলাম ছয় মাস শুধু মাত্র আরো পাবলিক হওয়ার জন্য।
ওয়াসিংটন এ ,সিয়াটেল কলেজে নিজের দেশের হিস্ট্রি নিয়ে কথা বলতে হবে। নিজের দেশের হিস্ট্রি কে না চায় মানুষকে জানাতে । ১৫ মিনিট কথা বলতে গিয়ে ওই প্রথম দিনের স্পীচের মতো লাগলো। কারণ এই স্পিচতা ছিল ইংলিশ এ।
নিউ ইয়র্কে এসে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন এ কাজ। তাও আবার কাস্টমার সার্ভিস। কথা বলার কাজ। এক বড় ভাই কাজটা পাইয়ে দিলেন ,চির কৃতজ্ঞ উনার কাছে।
ASA কলেজে এখন পর্যন্ত যে চার পাঁচটা স্পিচ দিয়েই দিলাম। ভয় আর কাজ করে না।
ভয় আমার করবে না এখন মিলিয়ন মানুষের সামনে বাংলা ও ইংলিশ এ স্পিচ দিতে।
স্বপ্ন আমার স্পিকার হবো।
মানুষের সামনে কথা বলার নামই হচ্ছে পাবলিক স্পিকিং। এই কথা বলতে আমার আপনার যা সমস্যা। মানুষের সামনে কথা বলতে গেলে যা মনে হয় সেটা হচ্ছে মানুষ কী ভাবছে আমাকে নিয়ে। এই ভয় চলে যায় তবে কথা বলতে হবে। কথা বলার ভয় কথা বলে তাড়াতে হবে।
নবম-দশম ক্লাসের ছাত্রছাত্রীরা একটা স্কুলের সর্বোচ্চ লেভেলের ছাত্রছাত্রী। এরা স্কুলের সভা-সমিতি অথবা ২১শে ফেব্রুয়ারী ,২৬শে মার্চ এবং ১৬ই ডিসেম্বরের অনুষ্টানগুলোতে বক্তব্য দেয়। এমনকি ক্লাস সিক্স,সেভেন এ যারা পড়ে তারাও স্পিচ দেয়। আমি তো পারিনা। আমি ভাবতে লাগলাম কেন আমি পারিনা বক্তব্য দিতে? আমার থেকে ছোট ক্লাসের এরাও তো শত শত ছাত্রছাত্রীর সামনে কথা বলছে তবে আমি নই কেন। স্কুল জীবনে কথা বলতে পারিনাই। ভয় আমার জয় করা হয়নি।
এসএসসি তে এ প্লাস পাওয়ার পর অনেক জায়গায় যেতে হলো। সংবর্ধনা দিলো। এক জায়গায় আমার নাম দিয়ে বসছে যে আমি স্টেজে গিয়ে কিছু একটা বলবো। আসমান ভেঙে মাথায় পড়লো অবস্থা। আমি ? কেমনে ? আমি ব্যাক্তি মানুষ নারভাস হতে পারি তাই বলে এ প্লাসকে তো আর ছোট করতে পারিনা। এ প্লাস আমাকে অনেক সাহায্য করলো স্টেজে গিয়ে কথা বলতে। আমি ঘামে ডুবে যাচ্ছি,কথা মুখে আসে না ,হাতপা কাঁপে - এইগুলার মধ্যে দিয়ে জীবনের প্রথম পাবলিক স্পিচ দিলাম।
কলেজে উঠে ,ওরিয়েন্টেশন এ স্পিচ দিবে এই রকম একটা ছেলে ও একটা মেয়ে দরকার। কোনো কিছু না ভেবেই বলে উঠলাম আমি স্পিচ দেব। আমি আর গীতাঞ্জলি নামের একটা মেয়ে স্পিচ দিলাম প্রায় এক হাজার মানুষের সামনে।
শাহখাকী মাদ্রাসা (জুড়ীর একটা স্থানীয় মাদ্রাসা ) শিক্ষকতা করলাম ছয় মাস শুধু মাত্র আরো পাবলিক হওয়ার জন্য।
ওয়াসিংটন এ ,সিয়াটেল কলেজে নিজের দেশের হিস্ট্রি নিয়ে কথা বলতে হবে। নিজের দেশের হিস্ট্রি কে না চায় মানুষকে জানাতে । ১৫ মিনিট কথা বলতে গিয়ে ওই প্রথম দিনের স্পীচের মতো লাগলো। কারণ এই স্পিচতা ছিল ইংলিশ এ।
নিউ ইয়র্কে এসে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন এ কাজ। তাও আবার কাস্টমার সার্ভিস। কথা বলার কাজ। এক বড় ভাই কাজটা পাইয়ে দিলেন ,চির কৃতজ্ঞ উনার কাছে।
ASA কলেজে এখন পর্যন্ত যে চার পাঁচটা স্পিচ দিয়েই দিলাম। ভয় আর কাজ করে না।
ভয় আমার করবে না এখন মিলিয়ন মানুষের সামনে বাংলা ও ইংলিশ এ স্পিচ দিতে।
স্বপ্ন আমার স্পিকার হবো।
Saturday, November 19, 2016
আম্মুর সাথে চুক্তি হতো রাত দশটা হবে আর আমার পড়া শেষ হবে। চুক্তিবদ্ধ হয়ে পড়তে বসতাম। তিনি আমার সাথের হওয়া চুক্তিকে খুবই সম্মান করতেন। দশটার আগে আগে হরলিক্স অথবা দুধ নিয়ে আসতেন আর হেনতেন বলতেন । আমি মনে করতাম আম্মু এত কষ্ট করে খাবার নিয়ে আসলেন আবার পাশের চেয়ারেও বসে আছেন এখন কেমন করে আমি আম্মুকে পাশে রেখে উঠে যাই। তিনি ১২ টা পর্যন্ত বসে থাকতেন আর আমিও। বাড়তি ২ ঘণ্টা আমার SSC,HSC সহ বাকি অনেক কিছুই পরিবর্তন করে দিয়েছে।দেশেই পড়ানোর ইচ্ছে ছিল আম্মুর। দেশ আমাকে ধারণ করলো না। প্রথমবারের মত আম্মু একটু কষ্ট পেলেন যখন বললাম আমি আমেরিকা চলে যেতে চাই। আমেরিকা এসে নানা কারণে পড়াশুনা বন্ধ হয়ে গেলো। আম্মুর সাথে কথাই বলা যেত না। ছেলে যদি কোটিপতিও হয় তবুও তিনি হ্যাপি হতে পারবেন না। ছেলেটা শিক্ষিত হতে হবে তবেই না তিনি হ্যাপি। অনেক কষ্টে আবার কলেজে ভর্তি হয়ে এখন লাস্ট সেমেস্টার এ। হুহ। প্রথম বই পাবলিশ করবো। আম্মুকে বললাম।বই লিখার দরকার নাই বলে উঠলেন। আমি বললাম আম্মু বইটা মানুষের জীবনের পরিবর্তনের জন্য। আম্মু আবার পরিবর্তন করতে ও দেখতে পছন্দ করেন। বলে দিলেন পাবলিশ করো তাহলে। করলাম। এইবার ২য় বইটা আসবে ইনশা আল্লাহ। এরকম করে আম্মু আমার বোন ও ভাইয়ের জীবনেও এক বিশাল আশীর্বাদ।
আপনার মা ও আপনার জন্য আশীর্বাদ। মাকে সম্মান করুন। সম্মান করুন মময় শব্দগুলোকেও এই যেমন মেয়ে,মহিলা,মায়া,মমতা,মানবতা ,মহানুভবতা আর মানুষকে।
আপনার মা ও আপনার জন্য আশীর্বাদ। মাকে সম্মান করুন। সম্মান করুন মময় শব্দগুলোকেও এই যেমন মেয়ে,মহিলা,মায়া,মমতা,মানবতা ,মহানুভবতা আর মানুষকে।
Saturday, November 12, 2016
বিল গেটস দুইটাই বুজতেন।
IMB (International Business Machines) পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ও সর্বপ্রথম কম্পিউটার কোম্পানি যারা বিল গেটসকে জিজ্ঞেস করছিলো তিনি অপারেটিং সিস্টেম বানাতে পারবেন কিনা। ২৪ বছর বয়সী বিল পারেন না বলেন নি। আসলেই তিনি পারতেন না। তখন মাইক্রোসফট কয়েকজনকে নিয়ে শুরু করেছেন মাত্র। প্রোগ্রাম বানাতেন তবে অপারেটিং সিস্টেম না। IMB কে বলে আসলেন পারবো এবং এই যে বলছিলেন পারবো এইটাই আজকের ইতিহাস। না পেরেও পারবো বলার কারণ হলো যা পারবেন না সেটা পারতে হবে। খুঁজে দেখতে হবে কেমন করে পারা যায়। পরে বিল অপারেটিং সিস্টেম কিনে নেন আরেকজন প্রোগ্রামিং পাগলের কাছ থেকে। তিনি গ্যারি কিন্ডেল যিনি কিনা আজকের বিল গেটস হতে পারতেন। পারেন নি কারণ তিনি প্রোগ্রাম বুঝতেন তবে ব্যবসা নয়। বিল গেটস দুইটাই বুজতেন।
Monday, October 17, 2016
আমরা ও স্কিল বা দক্ষতা :
আমরা ও স্কিল বা দক্ষতা :
আমাদের সবার চলার পথে অনেক সংগ্রাম করতে হয়। সংগ্রামটা উঁচু পর্যায়ে চলে আসে যখন আমাদের নির্দিষ্ট স্কিল বা দক্ষতা থাকে না। আবার অনেকেরই অনেক উঁচু মানের স্কিল আছে তবে তারা সেটা বুঝে না।তারা বুঝে না যে তাদের এই দক্ষতাগুলোকে অনেক কাজে লাগানো যেতে পারে। এই যেমন আপনি দশ জন মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে সুন্দর করে কিছু একটা বলতে পারেন সেটা ও একটা স্কিল। সেটা কোন কাজে আসতে পারে ? এই যেমন আপনি শিক্ষকতা করতে পারেন অথবা মার্কেটিং-এর কাজ করতে পারেন (অবশ্য আপনাকে প্রাতিষ্টানিক শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে ) । আপনি গণিত খুব ভালো পারেন অথবা ইংরেজি অথবা অন্য কোনো কিছু। এই গুলার ভিডিও বানান ,ইউটুবে আপ করেন। শ্রম দিলে মাসে কয়েক হাজার টাকা কোনো ব্যাপারই না।আর স্টুডেন্ট তো পড়াতে পারেন। মাসে ১০-১৫ হাজার টাকা ইনকাম করে এরকম কয়েকটা বন্ধু আমার আছে। আচ্ছা এখন আসা যাক যাদের কোনো স্পিসিফিক দক্ষতা নেই অথচ কয়েকটা ডিগ্রির মালিক হয়ে গেছেন তাদের কাছে। আপনি আজকাল কী পাবেন না ইউটুব ও গুগলে ? কী পাবেন না সেটা বলেন ? আপনি ভূগোলের বা ইতিহাসের ছাত্র হয়েও বড় একজন প্রোগ্রামারসহ অন্য যেকোন কিছু হতে পারবেন শুধু মাত্র ইন্টারনেটের সাহায্যে (অবশ্য অ্যাডভান্স লেভেলের জন্য কিছু প্রাতিষ্টানিক শিক্ষার ও দরকার আছে ) । আমার অনেক ভাই-বন্ধু মিডলইস্ট এ থাকে যাদের অনেকের স্কিল বলতে কিছু নেই। এরা হাবিজাবি কিছু কাজ করে আর মাস শেষে পায় ২০-২৫ হাজার টাকা যা আমাদের দেশের ফুচকার মামার ইনকাম থেকে ও অনেক কম। এরা জীবনের সিংহভাগ সময় ভাই-বন্ধু ও পরিবার ছেড়ে দূরে কাটিয়ে দেয়। আর যারা কিছু দেশ থেকে শিখে গেছে তাদের ইনকাম সবারই ৫০ হাজার থেকে শুরু করে আরো বেশি। কথা হচ্ছে নির্দিষ্ট স্কিলের পেছনে কাজ করেন। একটা তাবিজ যেমন বছরের পর বছর পানিতে ভিজিয়ে সেই পানি পান করা যায় ঠিক তেমনি একটা স্কিলকে কেন্দ্র করে আপনি ও চলতে পারবেন।
আমাদের সবার চলার পথে অনেক সংগ্রাম করতে হয়। সংগ্রামটা উঁচু পর্যায়ে চলে আসে যখন আমাদের নির্দিষ্ট স্কিল বা দক্ষতা থাকে না। আবার অনেকেরই অনেক উঁচু মানের স্কিল আছে তবে তারা সেটা বুঝে না।তারা বুঝে না যে তাদের এই দক্ষতাগুলোকে অনেক কাজে লাগানো যেতে পারে। এই যেমন আপনি দশ জন মানুষের সামনে দাঁড়িয়ে সুন্দর করে কিছু একটা বলতে পারেন সেটা ও একটা স্কিল। সেটা কোন কাজে আসতে পারে ? এই যেমন আপনি শিক্ষকতা করতে পারেন অথবা মার্কেটিং-এর কাজ করতে পারেন (অবশ্য আপনাকে প্রাতিষ্টানিক শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে ) । আপনি গণিত খুব ভালো পারেন অথবা ইংরেজি অথবা অন্য কোনো কিছু। এই গুলার ভিডিও বানান ,ইউটুবে আপ করেন। শ্রম দিলে মাসে কয়েক হাজার টাকা কোনো ব্যাপারই না।আর স্টুডেন্ট তো পড়াতে পারেন। মাসে ১০-১৫ হাজার টাকা ইনকাম করে এরকম কয়েকটা বন্ধু আমার আছে। আচ্ছা এখন আসা যাক যাদের কোনো স্পিসিফিক দক্ষতা নেই অথচ কয়েকটা ডিগ্রির মালিক হয়ে গেছেন তাদের কাছে। আপনি আজকাল কী পাবেন না ইউটুব ও গুগলে ? কী পাবেন না সেটা বলেন ? আপনি ভূগোলের বা ইতিহাসের ছাত্র হয়েও বড় একজন প্রোগ্রামারসহ অন্য যেকোন কিছু হতে পারবেন শুধু মাত্র ইন্টারনেটের সাহায্যে (অবশ্য অ্যাডভান্স লেভেলের জন্য কিছু প্রাতিষ্টানিক শিক্ষার ও দরকার আছে ) । আমার অনেক ভাই-বন্ধু মিডলইস্ট এ থাকে যাদের অনেকের স্কিল বলতে কিছু নেই। এরা হাবিজাবি কিছু কাজ করে আর মাস শেষে পায় ২০-২৫ হাজার টাকা যা আমাদের দেশের ফুচকার মামার ইনকাম থেকে ও অনেক কম। এরা জীবনের সিংহভাগ সময় ভাই-বন্ধু ও পরিবার ছেড়ে দূরে কাটিয়ে দেয়। আর যারা কিছু দেশ থেকে শিখে গেছে তাদের ইনকাম সবারই ৫০ হাজার থেকে শুরু করে আরো বেশি। কথা হচ্ছে নির্দিষ্ট স্কিলের পেছনে কাজ করেন। একটা তাবিজ যেমন বছরের পর বছর পানিতে ভিজিয়ে সেই পানি পান করা যায় ঠিক তেমনি একটা স্কিলকে কেন্দ্র করে আপনি ও চলতে পারবেন।
Subscribe to:
Posts (Atom)
