Monday, March 27, 2017

কিভাবে ওয়েব ডিজাইনার হওয়া যায় অধ্যায় -০১ .......

কিভাবে ওয়েব ডিজাইনার হওয়া যায় অধ্যায় -০১ .......

বর্তমান সময়ে সব ধরনের ক্লাস বা শিক্ষাদান ভিডিও মাধ্যমে হচ্ছে এবং তা খুব সফলভাবে সম্পন্ন হচ্ছে। Learning through videos is the most effective way to learn anything.
এখন কোনো কিছু শিখার জন্য আপনাকে কোনো ডিপ্লোমা কোর্সে ভর্তি হতে হচ্ছে না কারণ সুলভ মূল্যে ইউটিউব সেটা করে দিচ্ছে।

**  একজন ওয়েব ডিজাইনার হওয়ার জন্য আপনাকে  প্রাথমিকভাবে যা যা করতে হবে।

ধাপ ১ : HTML OR Hypertext Markup Language. 

ওয়েব ডিজাইনার হওয়ার জন্য আপনাকে একটা ল্যাপটপ ও ইন্টারনেট সংযোগ নিশ্চিত করতে হবে। ইউটিউবের সার্চবার-এ গিয়ে লিখেন  "HTML FOR BEGINNER" । এখন আপনি যে ভিডিও গুলো পাবেন সেগুলো মনোযোগ সহকারে কয়েকদিন স্টাডি করেন। 

Note:  ইংরেজী কম জানা থাকলে আপনি সার্চ করেন "HTML FOR BEGINNER BANGLA" ।

ধাপ ২ : CSS OR Cascading Style Sheet

যখনই দেখবেন আপনি HTML শিখে ফেলছেন তখনই "CSS FOR BEGINNER" সার্চবার -এ সার্চ করুন। এই ভিডিও গুলোও ভালোভাবে দেখুন আর সাথে প্রাকটিস করতে থাকুন। প্রতিদিন কমপক্ষে ৩-৪ ঘন্টা প্রাকটিস আপনাকে ভালো একজন ওয়েব ডিজাইনার করে তুলবে। 

Note:  ইংরেজী কম জানা থাকলে আপনি সার্চ করেন "CSS FOR BEGINNER BANGLA" ।

ধাপ ৩ : শিখতে থাকুন,প্র্যাক্টিস করুন,লেগে থাকুন ,গার্লফ্রেন্ডের মোবাইল -এ ফ্লেক্সি না দিয়ে ইন্টারনেট সংযোগটা ধরে রাখুন। 

পরবর্তী অধ্যায়ের জন্য অপেক্ষা করার জন্য ধন্যবাদ দিচ্ছি না কারণ লাভ আপনারই যদি আপনি ওয়েব ডিজাইনার হয়ে যান।  

Sunday, March 26, 2017

বাংলাদেশের আর্মি

বাংলাদেশের আর্মি গোটা পৃথিবীর বিস্ময় ,আর আমাদের গর্ব। 

Friday, March 24, 2017

একজন ওয়েব ডিজাইনার বা ডেভেলপার

কিভাবে একজন ওয়েব ডিজাইনার বা ডেভেলপার হওয়া যায় -সেটা নিয়ে লিখবো লিখবো ভাবছি। 

ওয়েব ডিজাইনার বা ডেভেলপার ঘরে বসে কিভাবে ইনকাম করবে সেটা নিয়ে লিখবো ভাবছি। 

নিজের পড়াশুনার পাশাপাশি আপনারা এটা শিখতে পারবেন এটা নিয়ে লিখতে যাচ্ছিলাম। 

এর জন্য আপনার সাইন্স ব্যাকগ্রাউন্ড লাগবে না এটা কেমন করে লিখার মধ্যে ঢুকিয়ে দেয়া যায় চিন্তা করছি। 

এটা শিখার জন্য খুব বেশি সময় লাগবে না এটাও কিভাবে  বলা যায় লেখার মধ্যে - এটা নিয়ে ভাবছি। 





Wednesday, March 22, 2017

সিদ্ধান্ত নিলাম :

সিদ্ধান্ত নিলাম :

সিদ্ধান্ত নিলাম প্রতিদিন সকালে উঠেই বলবো আমিই সেরা। আমার প্রাণ আছে। আজকে সন্ধ্যা পর্যন্ত আমার অনেক মিরাকল ঘটতে পারে। আমি হয়তো আজকেই জীবন পরিবর্তনকারী কোনো সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি। দিনগুলি এইভাবে আমি ইতিবাচকভাবে শুরু করবো।

সিদ্ধান্ত নিলাম আজকে কারো সাথে খারাপ ব্যবহার তো দূরের কথা উচ্চসুরে কথা পর্যন্ত বলবোনা। সিদ্ধান্ত নিলাম গতকালকে যাকে অপমান করে কথা বলেছি তার কাছে গিয়ে ক্ষমা চাইবো।

সিদ্ধান্ত নিলাম আজকেই কাউকে না কাউকে খুশি করবো। খুশি কি শুধু কিছু দিয়ে করতে  হয় ? মোটেও না। তাহলে ? প্রশংসা করলেই পাথর ও হেঁসে উঠতে বাধ্য আর মানুষ তো জগতের সবচেয়ে সুন্দর প্রাণী। এও সিদ্ধান্ত নিলাম যে আজ থেকে মানুষের প্রশংসা করবো।

সিদ্বান্ত নিলাম আজ থেকে অগোছালো জীবন চাইনা বলে উঠবো। আজকে থেকেই একটা রুটিন লাইফ লিড করবো।যেমন একজনের মানুষের রুটিন এরকম হতে পারে :-

 ১। সকাল ফজর নামাজ বা মর্নিং প্রেয়ার (যার যা ধর্ম )
২। নাস্তা করা
৩। খানিকক্ষণ ডেইলি প্রত্রিকা পড়া
৪। কাজে বা শিক্ষা প্রতিষ্টানে যাওয়া
৫।  যাওয়ার সময় বাসে বা সি এন জিতে বসে বই পড়া-ক্লাসে করা
৬। আড্ডা দেয়া বা প্রিয় মানুষদের থাকে সময় কাটানো।
৭। বিকালে আবার আড্ডা দেয়া। হুহাহাহাহাহাহাহাহাহ।
৮। সন্ধ্যায় ঘরে এসে পরিবারের মানুষদের সাথে সময় কাটানো।
৯। হোমওয়ার্ক অথবা এসাইনমেন্ট শেষ করা।
১০। ঘুমানোর আগে আগে বই পড়া অথবা টিভি দেখা।

ব্রি দ্রঃ একেক জনের জীবনযাপন একেকরকম হতে পারে। এটা একটা রুটিন লাইফের স্যাম্পল।

সিদ্বান্ত নিলাম আজকে থেকে হতাশ হবো না।সব সময় হাসিখুশি থাকবো। প্রত্যেকটা মুহূর্তকে সৃস্টিকর্তার অমূল্য গিফট ভেবে জীবন নিয়ে আনন্দে থাকবো। সিদ্বান্ত নিলাম আজকে থেকে প্রানভরে নিঃশ্বাস নিব আর পাশের মানুষদের নিয়ে সুখে থাকবো।

সিদ্ধান্ত নিলাম আজ থেকে একটু একটু করে জীবনকে গিফট ভাববো। জীবনের সব রং দেখতে পাওয়া ,জগতের সব ঘ্রান নিতে পারা আর হাজারো মাইল পথ অতিক্রম করার যে শক্তি আমাদের শরীরে বয়ে বেড়াচ্ছি তার জন্য সৃস্টিকর্তার প্রতি প্রতিনিয়ত খুশি থাকবো।

জীবন সুন্দর।


Tuesday, March 21, 2017

আজকে থেকেই

 আজকে থেকেই

যাকে ঘৃনা করি তাকে আজ থেকে ঘৃনা করবো না। ঘৃনা আমরা করি কেন ? কারণ আমাদের সাথে কারো না মিললে বা কারো আচরণ আমাদের আচরণের মত না হলে আমরা একটু একটু ওই মানুষটাকে খারাপ পেতে শুরু করি। এই খারাপ লাগা থেকে জগতের সবচেয়ে ঘৃণ্য জিনিসটার উদ্ভব ঘটে আমাদের মাঝে আর সেটা হচ্ছে অন্যকে ঘৃনা করা।  আমরা বুঝতে চাইনা যে এই ধরণীর প্রত্যেকটা মানুষই আলাদা। সবাই যার যার মতো। আর যে ঘৃনা পুষে রাখে সে কখনো শান্তিতে থাকতে পারে না।

আজ থেকে যাকে যাকে টেক্সট করতাম না তাকে টেক্সট করবো। আপনার একটা ইগো বা অহংকার বিসর্জিত একটা টেক্সট আরেকজনের খুশির কারণ হতে পারে। আপনার শুধু হ্যালো ,কেমন আছিস টেক্সটগুলি আরেকজনের একটা দিন আনন্দে ভরিয়ে দিতে পারে।

আজ থেকে যাকে অবহেলা করতাম তাকে ভালোবাসবো। ভালোবাসলে মনের গহীনে পবিত্রতার জন্ম হয়। যে আমাকে ভালোবাসে না তাকেও ভালোবাসবো।

আজ থেকে আরো একটু নরমভাবে হাঁটবো,কথা বলবো। আরো একটু নরমভাবে বসবো। বসার মাঝে বড়ত্ব ,কথার মাঝে নিজের মহত্ব আর চলার নিজের আমিত্ব দেখাবো না। আজ থেকে খুব মনোযোগ সহকারে মানুষের কথা শুনবো। সব মানুষকে গুরুত্ব দিব।

আজ থেকে বই পড়বো। বাসে,ট্রেনে অথবা অন্য কোনো অলস সময়ে। বই আমাদের সব অন্ধকার  দূর করে দিয়ে সুন্দরের দিকে ডাকে।

আজ থেকে পরিবার,বন্ধুবান্ধব,অতীয়স্বজন,প্রতিবেশী ও সমাজ নিয়ে খানিকটা ভাববো। এদের অনেক অবদান আছে আমাদের উপর।আজ থেকে রিস্কাওয়ালাকে বয়স অনুযায়ী ভাই-ভাতিজা-চাচা বলে সম্মোধন করবো।

আজ থেকে গ্রামের পথ বেয়ে হেঁটে যাওয়া মেয়েটির দিকে চেয়ে বেগম রোকেয়ার বা সুফিয়া কামালের উত্তরসূরী বলে মনে মনে বিড়বিড় করবো। আজ থেকে নিজের থেকে অপেক্ষাকৃত ছোট ছেলেটাকে তুই বলে ডাকবোনা কারণ তুমি বললে সে খুশি হবে।

আজ থেকে বাসায় গিয়ে ফেসবুক নিয়ে বসে সময় নষ্ট করবো না। চুটিয়ে জগড়া করবো করবো ভাইবোনের সাথে কারণ জগতের সুন্দরতম দৃশ্য ভাইবোনের জগড়া।

আজ থেকে তরকারীতে চুল পেলে মায়ের উপর রাগ করবো না কারণ তিনি ইচ্ছে করে ফেলেননি চুলটা। আর রান্নার সময় যা কষ্ট হয় তা এক চুলের কারণে উপেক্ষিত হয়ে গেলো ?

বাবার সাথে কথা কাটাকাটি করবোনা কারণ একমাত্র বাবারাই চায় ছেলেটা জগৎ বিখ্যাত হোক। একমাত্র বাবারা চায় তার ছেলেটা তার নিজের থেকে উপরে উঠুক।

আজ থেকে সব বিনাশকারী জিনিস থেকে দূরে থাকবো কারণ আমরা যখন যার যা ক্ষতি বা বিনাশ করি সবকিছুই আমাদের কাছে চলে আসে এক সময়।

আজ থেকে নিজের মনের বিরুদ্ধে যাবো যখন মন খারাপ কিছু উস্কে দেয়ার চেষ্টা করবে। আজ থেকেই আমি মানুষ হওয়ার সংকল্প করবো। 

Monday, March 20, 2017

আমার বিলাসিতা

একদিন যেগুলোকে খুব করে অবহেলা করেছি আজ এগুলিই স্বপ্নের ঘোরে চলে আসে। এইগুলো আজ বিলাসিতা। প্রায় অধরা।

এই যেমন গ্রামের পথ বেয়ে হেঁটে যাওয়া। ফেসকুকিং অথবা গুগলিং করতে গিয়ে ভাইবোনকে সময় কম দেয়া।  অথবা তিন বছর আগে প্রেমে পড়া মেয়েটিকে সময় দিতে গিয়ে নিজের পরিবার তথা আম্মুকে কম সময় দেয়া।

আহা জীবন আমরা বুঝিনা ,বুঝতেও পারবো না।


Saturday, March 18, 2017

মন খারাপ

 মন খারাপ হলে তা উদযাপন করা। এটা আমার নিজেরই কথা।  আজকে মনে হচ্ছে এই রকম একটা উদযাপন দরকার। খুব দরকার কারণ অনেক দিন এই রকম উদযাপনের দরকার হয় নি।

ইট-পাথরের এই শহরে সবই আছে ,মন খারাপ করে একলা এক জায়গায় বসে থাকার স্থান নেই ।