Tuesday, September 13, 2016

কুরবানী -ছেড়ে দাও তোমার ক্ষুদ্র ভালোবাসাকে মহৎ স্বার্থের জন্য

মহান আল্লাহ কুরবানীর মাধ্যমে কী শিক্ষা দিলেন বা আমরা কুরবানীকে কোন দৃষ্টিকোন থেকে দেখছি।
কুরবানী -ছেড়ে দাও তোমার ক্ষুদ্র ভালোবাসাকে মহৎ স্বার্থের জন্য।যদি আপনি একজন ভালো মানুষ হতে চান তাহলে আপনাকে অনেকগুলি কুরবানী দিতে হবে। সেগুলি কী কী ?
মিথ্যা কথা,অন্যের ক্ষতি করা,পরশ্রীকাতরা,হিংসা - এগুলোসহ আরো যা  আছে যেগুলো সমাজ ও মানুষের জন্য কল্যানকর নয় ঐগুলা ও কুরবানী দিতে হবে। পড়াশুনায় ভালো রেজাল্ট,বড় কোম্পানিতে চাকরি ,ব্যাবসায় সফলতা এইগুলার জন্য উপস্থিত অনেক আনন্দকে কুরবানী দিতে হবে। জীবনকে সুন্দর করতে চলার পথে কুরবানী দিয়ে চলতে হবে। বাঁচুন উৎসবে,বাঁচুন আনন্দে। 

Thursday, September 8, 2016

দক্ষতা :
ধরে নেই বিল গেটসের কোম্পানি মাইক্রোসফট আর নেই। ধরে নেই তার জমানো পাহাড় সমান টাকা আর নেই। তাহলে কি বিল গেটস পথে বসে যাবে ? উত্তর,ভুলেও না। কেন না ? যে গড়তে জানে সে শিব ও গড়তে পারে,বাদর ও গড়তে পারে।সব চলে গেলেও বিল গেটসের স্কিল ও কি চলে যাবে ?তার গড়ার যে দক্ষতা গড়ে উঠেছে তা কি নিঃশেষ হয়ে যাবে ?বিল গেটসের বিলিওনাইরী হওয়ার পেছনে কি আছে ? স্কিল বা দক্ষতা। মার্ক জুকারবার্গ ৮-১০ বছরে প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলারের মালিক হওয়ার পেছনে ও কিন্তু তার স্কিল কাজ করছে। জায়েদ করিম একজন বাংলাদেশী বংশোভুদ। জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ইউটিউবের ফাউন্ডার। ইউটিউবকে গুগুলের কাছে বিক্রি করেছেন অনেক আগেই। বিক্রির সময় কি উনার দক্ষতা ও বিক্রি করে দিয়েছেন ? মনে হয় না।  হাতে কলমে কিছু শিখে রাখুন। জীবনে অনেক কাজে আসবে। হাতে কলমে শিক্ষা এখন এই শতকের একমাত্র সম্পদ। "আমাদের সমৃদ্ধ একটা মানব সম্পদ আছে যার বেশির ভাগ তরুণ " ,জাফর ইকবাল স্যার। চলুন নিজে বড় হই,দেশকে ও বড় করি। 

Saturday, September 3, 2016

জীবনটাই মুরিময়।

আমি হতাশ হয় যখন ভার্সিটি পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা হতাশায় ভুগে কারণ এরা আশা জাগাবে,এরা অন্যকে পাল্টাবে,এরাই উচ্ছসিত থাকবে নিত্য নতুন জিনিসকে নিয়ে।  নিজেকে নিয়ে এই হতাশাগুলো তাদেরকে যেমন নিচের দিকে নিয়ে যায় তেমনি আসপাশের মানুষদের ও হতাশ করে। নিজে না হাসলে অন্যকে হাঁসানো যায় না। নিজে আনন্দে না ভাসলে অন্যকে ভাসাবে কি করে? গত কালকে বাংলাদেশের এক বিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মুখে হতাশা শুনে আমিও হতাশ। দেশে নাকি জব নাই। সবই বেকার। কেউ কি কখনো শুনেছেন বা দেখেছেন যে একজন মানুষ পড়াশুনা শেষ করেছে আর বেকার থেকেছে বছরের পর বছর। না ,কেউ বেকার থাকেনা দীর্ঘ সময়ের জন্য।যাইহোক , ৯-৫ ওয়ার্ক ছাড়া আর কিছু হতাশাগুলো বুঝে না।এদের চোখের সামনে ফুচকার মামা মাসে ৩৫-৪০ হাজার টাকা উপার্জন। এরা তা দেখবে না ,এরা বিদেশ এসে রেস্তুরায় প্লেট ধৌত করতে রাজী,এরা ঘুষ দিয়ে চাকরিতে ডুকবে আর এই ঘুষের টাকা বের করবে গাধার মত বছর দুয়েক খেটে।এরা দেশের জন্য বোঝা। চোখের সামনে কিছু লোক মুরি খায় আর কিছু লোক মুরি বিক্রি করে। জীবনটাই মুরিময়। 

Friday, September 2, 2016

আমরা সবাই সুখী হতে চাই। সুখ কি অধরা ? সুখ আমাদের আসে পাশেই। আমাদের মাঝ থেকে সন্তুষ্টি জিনিসটা প্রায় উঠেই গেছে। এই যে আজকে সকালের নতুন সূর্যটা দেখলাম তার কোনো মূল্য নেই,দিনের শুরু হতেই না হতে মায়ের সোনা মুখটা যে দেখলাম তার ও মূল্য নেই,দশ টাকার একটা নোটের জন্য কোটি টাকার জগড়া করে যে প্রাণের ভাইবোনগুলো এই গুলার ও মূল্য নেই।  মূল্য শুধু কী পাইনাই আর কী পেলাম এর মাঝে। পাওয়ার মাঝে সুখ থাকতে পারে না ,যেটা থাকে সেটা ক্ষনিকের আনন্দ। সুখ উপলব্ধির মাঝে,সুখ দেয়ার মাঝে। জগতে যারা দিতে জানে,তাদের ক্ষয় নেই। অন্ধকারে আলো বিলিয়ে চাঁদ কখনো শেষ হয়ে যায় না ,মা মায়া বিলিয়ে শেষ হয় যান  না বরং মা থেকে মমতাময়ী,মায়াবতী,মহান,মহিয়সী এই শব্দগুলার উৎপত্তি হয়েছে বলে মনে হচ্ছে ।দেয়া শিখতে হবে,দেয়ার চর্চা করতে হবে। কিছুই নেই দেয়ার এই কথা মিথ্যা। অন্যের সামনে প্রাণ খুলে হাসা মানে অনেক কিছু দেয়া,সুন্দর আচরণ করাটা ও দেয়া। প্রতিটা মুহূর্ত আনন্দে কাটুক,একসময় যাতে নিজেকে বলতে পারি কত আনন্দেই না ছিলাম,কত উদযাপনেই না ছিলাম। জীবন সুন্দর।বেচেঁ থাকার আনন্দে বাঁচি।  

Tuesday, August 30, 2016

কালকে একজন টেক্সট করে বললেন এত কিছু থাকতে আপনি মোটিভেশন কে বেঁচে নিলেন কেন ?
এ উত্তর আগেই দিয়ে দিয়েছি -মানুষকে অনুপ্রাণিত করতে খুব ভালোবাসি। 
আরেকজন টেক্সট করছেন এই বিষয়টি উনার কাছে বোরিং টাইপের। আমি উত্তর দিলাম ধন্যবাদ আপনার ফিডব্যাকের জন্য। 
আসল কথায় আসি। আমার প্রথম বইটি ও মোটিভেশনাল ছিল যেখানে আমি তিনজন তরুনের জীবনের গল্পের মধ্যে দিয়ে লক্ষ্য হাজারো তরুণদেরকে একটা বার্তা দেয়ার চেষ্টা করেছি।দ্বিতীয় বইটিতে ও অনেক বার্তা আছে যা আমাদেরকে উৎসাহিত করে। খুব আনন্দের সাথে একটা জিনিস আবিষ্কার করলাম যে আমিই প্রথম যে কিনা মোটিভেশন কে কেন্দ্রবিন্দু করে বই লিখার চেষ্টা করছে,ভিডিও ও বানানোর চেষ্টায় লিপ্ত।সেটা কিভাবে বের করলাম ? আমি মোটিভেশনাল রাইটার ও স্পিকার হবো আর সেটা বই না পড়েই ? না সেটা হয়না। আমাকে  আগে জানতে হবে অনেক। তো নিজের দেশের বইগুলো সার্চ করতে গিয়ে দেখি এই লাইনের বই নাই। যে কয়জনের বই পেয়েছি তারা মিক্সড রাইটার,একছত্র মোটিভেশনাল রাইটার না।ইউটুবে ও ইন্ডিভিজুয়েল ভিডিও নেই ,আছে গ্রূপ ভিডিও যেখানে সফল লোকদের আনা হয় আর তারা  তাদের জীবনকাহিনী বলে যান। দুঃখ জনক হলেও সত্য আমি একমাত্র যে কিনা নিজে সফল না হয়েই সফলতা নিয়ে কথা বলতে চাচ্ছে বা বলছে ।  যাইহোক,আব্দুল্লাহ আবু সায়েদ স্যারের বইগুলোতে ইনস্পিরেশন আছে। উনার বই পড়ি। আজকেই তিনটা বই অনলাইন থেকে এসেছে। বিদেশে বসে বাংলা বই কিনা তো নয় যেন সোনা কেনা। তবুও কিনি। যে একছত্র ভাবে মোটিভেশন কে নিয়ে চিন্তা করছে সে আমি। আপনারা সব সাক্ষী। সাক্ষী ইন্টারনেট,সাক্ষী অতীত। 

Monday, August 29, 2016

আপনারা যারা ইউ টিউব ব্যবহার করেন তারা যদি ইউটিউব এ গিয়ে সার্চ করেন -"How to find out passion Bangladeshi speaker " লিখলে আমি সবার উপরে চলে আসবো।Bangladeshi speaker লিখতে ভুলবেন না। পেশাগত ভাবে আমি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের দিকে ধাবমান কিন্তু এর পাশাপাশি মানুষের সাথে মিশতে বা কথা বলতে আমি খুবই ভালোবাসি।বিশেষ করে মানুষকে উৎসাহ দেয়া আমি প্রচন্ড রকম ভালোবাসি। উৎসাহ উদ্দীপনা মানুষের জীবন পাল্টায়। আমার চোখের সামনে কেউ ভালোর দিকে যাচ্ছে বা ভালোতে নিজেকে মিশিয়ে দিচ্ছে সেটার চেয়ে আরো সুন্দর দৃশ্য আমি খুঁজে পাই না।  আনাড়ীভাবে ভিডিওগুলো বানানু। ভিডিও গুলা যেহেতু প্রফেশনালি করতেছি না সে জন্য এত ভালো হচ্ছে বলে মনে হয় না।তবে কিছু দিনের মধ্যে সুন্দর কনটেন্ট নিয়ে ভিডিওকে আরো বেশি ভালো ভাবে তৈরী করার চেষ্টা করবো ইনশা আল্লাহ।  যেকোনো ভাবে একটা শুরু দরকার বিধায় শুরু করা । শুরু ছাড়া শেষ হয় কেমনে ?সাবস্ক্রাইব করলে আমি খুবই খুশি হই। আপনারা যারা এখানে আছেন সবাই আমার শুভাকাংখী। যদি 

Sunday, August 28, 2016

আমাদের প্যাশন বা ভালো লাগা :
আমাদের বেশির ভাগই নিজের পছন্দানুযায়ী বিষয়ে পড়তে পারি না। কেউ কেউ ভাগ্যানুযায়ী পেলেও পরবর্তীতে পছন্দের জব পাই না। পছন্দ অনুযায়ী মেয়ে না পাইলে আমরা তাকে ভালোবাসতে পারি না (নিকট সত্য ),পছন্দের খাবার না পেলে সেই খাবার গলা দিয়ে নামে না,পছন্দের পোশাক না পরলে বেড়াতে যাই না। নিজের মত মানুষ না পেলে আমরা বন্ধুত্ব ও করি না। কথা হচ্ছে পছন্দের হতে হবে সব কিছুই তবেই না আমরা হ্যাপি। এখন কথা হচ্চে পছন্দ অনুযায়ী আমরা সব করি কিন্ত ভালো না লাগা না সত্ত্বেও আমরা অপছন্দের বিষয়ে নামিদামী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে হয় বা হবে। সেটা কেন ? পড়া চলাকালীন সময়ে ভাব দেখানুর জন্য। ভাব দেখিয়ে সারাটা জীবন পার করা যাবে না। অপছন্দের জব করার মাঝে অবশ্য একটা চাপা কান্না লুকিয়ে থাকে। সেটা কী ? জবের টাকা দিয়ে চলতে হয় আমাদেরকে। তবে আমার প্রশ্ন হচ্ছে আমাদের বেঁচে থাকার জন্য শুধু মাত্র জব করতে হবে কেন ? অনার্স মাস্টার্স করে মুদির দোকানদার হলে খুব ক্ষতি হয়ে যাবে ? একজন মুদির দোকানদারের মাসিক ইনকাম একজন সাধারণ ব্যাংকারের চেয়েও বেশি। আর উপরি হিসেবে সে স্বাধীন জীবনযাপন করে। বড় ডিগ্রি,বড় জব এ সম্মান নিহিত না,সম্মান আমাদের মানুষ সত্তায়। যার যত মানবীয় গুণাবলী উন্নত সে তত উন্নত। জগতের সব বড় বড় মানুষেরা তাদের ভালো লাগার কাজ করেছেন। মজার বিষয় তারা এই কাজ গুলোকে খেলার ছলে করেছিলেন আর ওই কাজগুলোই তাদেরকে দিয়েছে অভাবনীয় সফলতা,কুড়িয়েছে আকাশচুম্বী পরিচিতি। আমাদের মুস্তাফিজ মাইলের পর মাইল উনার ইমিডিয়েট বড় ভাইয়ের কল্যাণে দূর দূরান্তে গিয়ে ম্যাচ খেলেছেন। উনি আজ সফলতায় টইটুম্বর। কৃষকের কাছে যিনি দেবতা তুল্য তিনি এক সময়ের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুগলের ছাত্র শায়িখ সিরাজ । আধুনিক কম্পিউটার (ম্যাক) কে যিনি উঁচু স্থানে নিয়ে গেছেন সেই স্টিভ জবসের ও কম্পিউটারের প্রতি গভীর আসক্তি ছিল। প্রোগ্রামিং জগতে যিনি আজ একছত্র রাজত্ব করছেন সেই মার্ক জুকারবার্গ ও স্কুল জীবন থেকে গেম বানাতেন ,সফটওয়্যার নিয়ে খেলা করতেন। এই রকম লক্ষ হাজারো উদাহরণ আছে। ভালো লাগার কাজ করুন,হাসিখুশি থাকুন। জীবনে আনন্দ ছাড়া কী আর আছে। ............